- ০৪ এপ্রিল, ২০২৬
PNN নিউজ ডেস্ক। ঢাকা
সংবিধানে স্বৈরতন্ত্রের সুযোগ বন্ধ ও রাষ্ট্রক্ষমতায় ভারসাম্য আনার লক্ষ্যে জারি করা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ বাতিল ও সংশোধনের প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে বিএনপির সমালোচনা করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে দলটি দাবি করে, অন্তর্বর্তী সরকার যে অধ্যাদেশগুলো জারি করেছিল, সেগুলো স্বৈরতান্ত্রিক প্রবণতা রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারত। কিন্তু এসব অধ্যাদেশ বাতিল বা সংশোধনের উদ্যোগ স্বৈরাচারী ধারার পুনরাবৃত্তির শঙ্কা তৈরি করছে।
বিবৃতিতে ইসলামী আন্দোলনের মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, বিএনপির রাজনৈতিক ভিত্তি ও ক্ষমতার সংহতি অতীতে গণভোটের মাধ্যমেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। সাম্প্রতিক সময়েও গণভোটের বিষয়ে দলটির সম্মতি ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনের আগে গণভোটের পক্ষে অবস্থান নিলেও এখন বিএনপি সাংবিধানিক ব্যাখ্যার দোহাই দিয়ে গণভোট-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিলের সুপারিশ করছে। একই সঙ্গে মানবাধিকার সুরক্ষা, গুম প্রতিরোধ এবং দুর্নীতি দমন সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিলের উদ্যোগ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এসব পদক্ষেপ গণ-আন্দোলনের চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং তা জনগণের প্রত্যাশার পরিপন্থী। ইসলামী আন্দোলন মনে করে, এ ধরনের সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক অঙ্গনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে দলটি বলেছে, বিএনপিও অতীতে স্বৈরশাসনের নিপীড়নের শিকার হয়েছে। তাই রাষ্ট্রে গণতান্ত্রিক কাঠামো শক্তিশালী করতে এবং স্বৈরতন্ত্রের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশগুলো দ্রুত অনুমোদন করা প্রয়োজন।