- ২১ আগস্ট, ২০২৬
PNN নিউজ ডেস্ক। ঢাকা
এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ টুর্নামেন্টের আগে থাইল্যান্ডে গিয়ে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা শেষ পর্যন্ত বাতিল করেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দল। ভিসা জটিলতার কারণে নির্ধারিত সময়ে সফর করা সম্ভব না হওয়ায় এবার ঢাকাতেই প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেই এশিয়ান মিশনের প্রস্তুতি সারতে হবে দলটিকে।
আগামী ৩১ আগস্ট উজবেকিস্তানে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশের এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ অভিযান। মূল প্রতিযোগিতার আগে থাইল্যান্ডে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার কথা ছিল বাংলাদেশের।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, ১৮ আগস্ট সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে ম্যাচটি হওয়ার কথা থাকলেও ভিসা জটিলতার কারণে সেটি আর মাঠে গড়ায়নি। একই কারণে ২৫ আগস্ট ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে নির্ধারিত ম্যাচটিও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) কয়েক দিন ধরে খেলোয়াড়দের থাই ভিসা নিশ্চিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালের উদ্যোগে গতকাল ভিসা পাওয়া গেলেও ততক্ষণে ইন্দোনেশিয়া অন্য একটি দলের সঙ্গে প্রস্তুতি ম্যাচের ব্যবস্থা করে ফেলেছে। ফলে ভিসা হাতে আসার পরও থাইল্যান্ড সফরের আর বাস্তব সুযোগ থাকেনি।
সফর বাতিল হওয়ায় এখন ঢাকাতেই দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দল। ফর্টিজ ও বাংলাদেশ পুলিশের বিপক্ষে ম্যাচ দুটি আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। দুই ক্লাবই বর্তমানে অনুশীলনের মধ্যে থাকায় তাদের বিপক্ষেই ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা করেছে দলীয় ব্যবস্থাপনা।
এর আগে বাহরাইনে প্রস্তুতি ক্যাম্প করার পরিকল্পনাও বাতিল করেছিল বাংলাদেশ। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সেখানে দল পাঠাতে আগ্রহী হয়নি ম্যানেজমেন্ট।
সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে এবার এশিয়া কাপের মূলপর্বে জায়গা করে নেওয়ার লক্ষ্য বাংলাদেশের। কয়েক সপ্তাহ যশোরের শামসুল হুদা একাডেমিতে অনুশীলন শেষে চার দিন আগে ঢাকায় ফিরেছে দলটি। বর্তমানে কমলাপুর স্টেডিয়ামে চলছে তাদের অনুশীলন।
ব্রিটিশ কোচ জেরার্ড জোন্স ইতোমধ্যে ২৩ সদস্যের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেছেন। এই দলে রয়েছেন পাঁচজন প্রবাসী ফুটবলার।
এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ বাছাইপর্বে বাংলাদেশ পড়েছে ‘বি’ গ্রুপে। গ্রুপে তাদের প্রতিপক্ষ স্বাগতিক উজবেকিস্তান, সিরিয়া ও ভারত।
৩১ আগস্ট স্বাগতিক উজবেকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বাংলাদেশের বাছাইপর্ব শুরু হবে। এরপর ৩ সেপ্টেম্বর সিরিয়া এবং ৬ সেপ্টেম্বর ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামবে দলটি।
গ্রুপের সেরা দল সরাসরি মূলপর্বে যাওয়ার পাশাপাশি সেরা রানার্সআপদেরও মূলপর্বে খেলার সুযোগ রয়েছে। ফলে বিদেশে পরিকল্পিত প্রস্তুতি ম্যাচ না খেলতে পারলেও ঢাকায় ফর্টিজ ও বাংলাদেশ পুলিশের বিপক্ষে দুটি ম্যাচে নিজেদের প্রস্তুতির ঘাটতি কতটা পূরণ করতে পারে, সেটিই এখন বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।