- ১৩ মার্চ, ২০২৬
PNN নিউজ ডেস্ক। ঢাকা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নয়টি আসনের ভোটের ফলাফলের বিরুদ্ধে পৃথকভাবে করা নির্বাচনী আবেদনগুলো হাইকোর্টে শুনানির জন্য গ্রহণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) হাইকোর্টের একক বেঞ্চ বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের আদালতে এই সিদ্ধান্ত দেন। একই সঙ্গে পলাতক ও আগামি শুনানির জন্য মামলার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
নয়টি আবেদনের মধ্যে চারজন বিএনপি প্রার্থী এবং পাঁচজন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী রয়েছেন। আবেদনের মধ্যে মূল অভিযোগ ভোটে কারচুপি, অনিয়ম এবং তথ্য গোপনের সঙ্গে সম্পর্কিত। নির্দিষ্ট আসনগুলো হলো খুলনা-৫, বরগুনা-২, ঢাকা-১১, পিরোজপুর-২, মাদারীপুর-১, নীলফামারী-২, কক্সবাজার-৪, ঢাকা-১০ ও চুয়াডাঙ্গা-১।
বিএনপির চারজন প্রার্থী হলেন: ঢাকা-১১ আসনে এম এ কাইয়ুম, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে মো. শরীফুজ্জামান, মাদারীপুর-১ আসনে নাদিরা আক্তার এবং নীলফামারী-২ আসনে শাহরিন ইসলাম। জামায়াতের পাঁচ প্রার্থী হলেন: খুলনা-৫ আসনে সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, বরগুনা-২ আসনে সুলতান আহমদ, পিরোজপুর-২ আসনে শামীম সাঈদী, কক্সবাজার-৪ আসনে নুর আহমদ আনোয়ারী এবং ঢাকা-১০ আসনে মো. জসীম উদ্দীন সরকার।
প্রার্থীদের ভোটের ফলাফলের তুলনায় বিজয়ীরা সামান্য বা উল্লেখযোগ্য ভোটের ব্যবধান নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। উদাহরণস্বরূপ, ঢাকা-১১ আসনে বিএনপির এম এ কাইয়ুম পেয়েছেন ৯১,৮৩৩ ভোট, সেখানে জয়ী হয়েছেন এনসিপির মো. নাহিদ ইসলাম ৯৩,৮৭২ ভোটে। অন্যদিকে খুলনা-৫ আসনে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার ১,৪৬,২৪৬ ভোট পেয়েছেন, বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির মো. আলি আসগার ১,৪৮,৮৫৪ ভোটে।
শুনানিতে বিএনপির পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. রুহুল কুদ্দুস, পলাশ চন্দ্র রায় ও আকতানুর নাহার। জামায়াতের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. শিশির মনির এবং এম. বেলায়েত হোসেন।
নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের পর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হাইকোর্টে পৃথকভাবে নির্বাচনী আবেদন করতে পারেন। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত মোট ৩৬টি নির্বাচনী আবেদন শুনানির জন্য হাইকোর্টে গ্রহণ করা হয়েছে।