- ২৬ জুলাই, ২০২৬
PNN নিউজ ডেস্ক। চট্টগ্রাম
চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় একটি সালিশ বৈঠক চলাকালে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনায় এক সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যার অভিযোগ তোলা হলেও পুলিশ বলছে, মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন প্রয়োজন।
নিহত আবদুল মালেক (৫৫) উপজেলার সরফভাটা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য ছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, শনিবার দুপুরে একটি বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে আয়োজিত সালিশ বৈঠকে দুই পক্ষের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে হাতাহাতিতে রূপ নেয়। এ সময় আবদুল মালেক হঠাৎ মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
পরে উপস্থিত লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে নিকটস্থ ইছাখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর নিহতের স্বজনরা দাবি করেন, সালিশ চলাকালে আবদুল মালেকের ওপর হামলা চালানো হয়েছে এবং এর ফলেই তার মৃত্যু হয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে এখনই কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।
দক্ষিণ রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিলাল উদ্দিন আহমেদ জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে। তদন্তের তথ্য-উপাত্ত এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এ ঘটনায় এলাকায় উদ্বেগ বিরাজ করছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদসহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।