- ০৭ নভেম্বর, ২০২৬
PNN নিউজ ডেস্ক। ঢাকা
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির আয়োজিত শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে রাজধানীর নয়াপল্টনে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠেয় এ কর্মসূচি ঘিরে পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে। নিরাপত্তার কারণে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের সড়কে যান চলাচলও বন্ধ রাখা হয়েছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় এলাকায় সরেজমিনে এমন চিত্র দেখা যায়। কর্মসূচিকে ঘিরে এসআরবি, পিজিআর, পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি দায়িত্ব পালন করছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরাও।
সমাবেশের মঞ্চ ও আশপাশের এলাকায় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে। নিরাপত্তা তল্লাশির জন্য ডগ স্কোয়াড মোতায়েনের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ব্যারিকেড বসানো হয়েছে। শোভাযাত্রার প্রস্তুতি ও জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো।
নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা জানিয়েছেন, কর্মসূচি নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করা এবং যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
দলীয় সূচি অনুযায়ী, শনিবার দুপুর ২টার মধ্যে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ শুরু হওয়ার কথা। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের। সমাবেশ শেষে বিকেল ৩টার দিকে তাঁর নেতৃত্বে শোভাযাত্রা বের হওয়ার কথা রয়েছে।
বিএনপির পরিকল্পনা অনুযায়ী, শোভাযাত্রাটি নয়াপল্টন থেকে শুরু হয়ে প্রধান বিচারপতির বাসভবনের সামনে দিয়ে কাকরাইল মোড়, হেয়ার রোড, মিন্টো রোড, ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের সামনে, বাংলামোটর ও ফার্মগেট অতিক্রম করে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে গিয়ে শেষ হবে।
এর আগে শুক্রবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শোভাযাত্রার বিস্তারিত কর্মসূচি ও সম্ভাব্য রুট তুলে ধরেন দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের এ কর্মসূচিকে ঘিরে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে নিরাপত্তা ও যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে বিশেষ নজরদারি রাখা হয়েছে।