- ০৮ আগস্ট, ২০২৬
PNN নিউজ ডেস্ক। ঢাকা
রাজধানীর পল্লবীতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে বিএনপির এক নেতা ও এক পথচারী নারী আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত বিএনপি নেতা মো. আলমগীরকে (৪৫) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত নারীকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে পল্লবী থানার মিরপুর-১১ নম্বরের রোড-২, ব্লক-বি এলাকার একটি চায়ের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
আলমগীর ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের লালবাগ-নবাবগঞ্জ রোড এলাকার ২৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য বলে জানা গেছে। তিনি বর্তমানে পরিবার নিয়ে মিরপুর-১১ নম্বরের বি ব্লকে বসবাস করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে আলমগীর কয়েকজনের সঙ্গে একটি চায়ের দোকানের সামনে বসে ছিলেন। এ সময় একটি প্রাইভেটকার থেকে কয়েকজন ব্যক্তি নেমে তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। পরে হামলাকারীরা গাড়িতে উঠে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
গুলিতে আলমগীরের মাথা ও পিঠে তিনটি গুলি লাগে। একই সময় ওই এলাকা দিয়ে হেঁটে যাওয়া জোসনা (৬৫) নামে এক নারীও গুলিবিদ্ধ হন। তার পায়ে একটি গুলি লাগে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আলমগীর সাংবাদিকদের বলেন, একটি প্রাইভেটকার থেকে চারজন নেমে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পরে তারা গাড়িতে করে পালিয়ে যায়। হামলাকারীদের মধ্যে দুজনকে তিনি চিনতে পেরেছেন বলে দাবি করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, তারা যুবলীগের রুবেল ও বাপ্পী। তবে কী কারণে তার ওপর হামলা হয়েছে, তা তিনি জানেন না।
আলমগীর জানান, পুরান ঢাকার সোয়ারীঘাটে ভাইয়ের সঙ্গে মাছের আড়তের ব্যবসা করেন তিনি। নবাবগঞ্জ রোড এলাকায় তাদের বাড়ি রয়েছে। পাশাপাশি তিনি লালবাগ-নবাবগঞ্জ রোড ২৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
পল্লবী থানার এসআই জনি ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বাসির বলেন, স্থানীয় সন্ত্রাসী রুবেল ওরফে ল্যাংড়া রুবেল আলমগীরকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এ ঘটনায় আলমগীর ও এক পথচারী নারী আহত হয়েছেন।
হামলার পেছনে কী কারণ রয়েছে এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত চলছে বলে জানান ওসি।