Tuesday, April 21, 2026

অস্কারজয়ী অভিনেত্রী অ্যান হ্যাথাওয়ে আবারও আলোচনায়, ‘ওয়ার্ল্ডস মোস্ট বিউটিফুল’ কভার স্টার


ফাইল ছবিঃ অ্যান হ্যাথওয়ে (সংগৃহীত)

স্টাফ রিপোর্ট: PNN 

হলিউডের জনপ্রিয় ও অস্কারজয়ী অভিনেত্রী অ্যান হ্যাথওয়ে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। ২০২৬ সালে একটি আন্তর্জাতিক ম্যাগাজিনের “ওয়ার্ল্ডস মোস্ট বিউটিফুল” কভার স্টার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। দীর্ঘ ক্যারিয়ারের পর এই স্বীকৃতি তাঁর জনপ্রিয়তা ও প্রভাবকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়েছে।

নতুন ফটোশুটে দেখা গেছে, সংগীতের আধুনিক প্লেলিস্ট এবং নান্দনিক পরিবেশে শুটিংটি সম্পন্ন হয়, যেখানে হ্যাথাওয়ের উপস্থিতি ছিল স্বাভাবিক ও আত্মবিশ্বাসী। তবে অভিনেত্রী নিজেই জানিয়েছেন, এই আত্মবিশ্বাস অর্জনের পথ মোটেও সহজ ছিল না।

তিনি বলেন, ক্যারিয়ারের শুরুতে নিজেকে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করার মধ্যেই সাফল্য খুঁজতেন। কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তার দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যায়। এখন তিনি পরিপূর্ণতার চেয়ে জীবনের আনন্দ উপভোগ করাকে বেশি গুরুত্ব দেন।

হ্যাথাওয়ের অভিনয় ক্যারিয়ার শুরু হয় ২০০১ সালে “দ্য প্রিন্সেস ডায়েরিজ” সিনেমার মাধ্যমে। এরপর “ব্রোকব্যাক মাউন্টেন”, “এলিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড” এবং “লা মিজারেবলস”-এর মতো সফল চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি বিশ্বব্যাপী খ্যাতি অর্জন করেন। “লা মিজারেবলস”–এ অভিনয়ের জন্য তিনি একাডেমি অ্যাওয়ার্ড বা অস্কারও লাভ করেন।

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি জানান, পরিবার ও স্বামী অ্যাডাম শুলমান তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি। দীর্ঘ দাম্পত্য জীবন ও মাতৃত্ব তাঁকে আরও স্থিতিশীল করেছে বলে তিনি মনে করেন।

সৌন্দর্য সম্পর্কে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গিও সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হয়েছে। তাঁর মতে, সত্যতা ও আত্মিক গভীরতাই আসল সৌন্দর্য, যা বাহ্যিক নিখুঁততার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

২০২৬ সালে তাঁর অভিনীত একাধিক সিনেমা মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে, যার মধ্যে “দ্য ডেভিল ওয়ারস প্রাডা ২” অন্যতম আলোচিত প্রকল্প। প্রায় দুই দশক পর এই সিনেমায় তাঁর প্রত্যাবর্তন দর্শকদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ তৈরি করেছে।

অ্যান হ্যাথাওয়ের মতে, জীবনের অভিজ্ঞতা ও সংগ্রামই একজন মানুষকে পরিপূর্ণ করে তোলে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি এখন আরও শান্ত, আত্মবিশ্বাসী এবং জীবনের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি সম্পন্ন হয়েছেন।

Super Admin

PNN

প্লিজ লগইন পোস্টে মন্তব্য করুন!

আপনিও পছন্দ করতে পারেন