Wednesday, September 30, 2026

অক্টোবর-নভেম্বরে এলএনজি সরবরাহে ঘাটতির আশঙ্কা নেই: পেট্রোবাংলা


ছবিঃ অক্টোবর-নভেম্বরে এলএনজির ঘাটতি নেই, আসছে ১৯ কার্গো: পেট্রোবাংলা (সংগৃহীত)

স্টাফ রিপোর্ট: PNN 

অক্টোবর ও নভেম্বর আগামী দুই মাসে দেশে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানিতে কোনো ঘাটতি হবে না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা)। চাহিদা বিবেচনায় এ দুই মাসে মোট ১৯ কার্গো এলএনজি আমদানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।

পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, অক্টোবর মাসে দেশে আসবে ১০ কার্গো এলএনজি। এর মধ্যে তিন কার্গো স্পট মার্কেট থেকে সংগ্রহ করা হবে। দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় আসবে দুই কার্গো এবং স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় আনা হবে আরও পাঁচ কার্গো।

নভেম্বরে আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে নয় কার্গোর। এর মধ্যে ছয় কার্গো দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় এবং তিন কার্গো স্বল্পমেয়াদি চুক্তির মাধ্যমে সংগ্রহ করা হবে। এসব এলএনজি যুক্তরাষ্ট্র, নাইজেরিয়া, অ্যাঙ্গোলা, অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন উৎস থেকে কেনা হয়েছে।

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মান্নান বলেন, অক্টোবর ও নভেম্বরের জন্য এলএনজিবাহী কার্গো নিয়ে কোনো সমস্যা নেই। চাহিদা অনুযায়ী ১৯ কার্গো নিশ্চিত হওয়ায় এলএনজি থেকে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে সরবরাহেও ঘাটতির আশঙ্কা নেই।

তিনি জানান, প্রয়োজনীয় সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রতি মাসে পরবর্তী তিন মাসের এলএনজি আমদানির পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এর ফলে এলএনজি থেকে উৎপাদিত গ্যাস সরবরাহে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সম্ভব হবে বলে আশা করছে পেট্রোবাংলা।

পেট্রোবাংলার পরিচালক (অর্থ) মিজানুর রহমানও ১৯ কার্গো এলএনজি আমদানির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দীর্ঘমেয়াদি ও স্বল্পমেয়াদি চুক্তির পাশাপাশি স্পট মার্কেট থেকেও প্রয়োজন অনুযায়ী এলএনজি সংগ্রহ করা হচ্ছে। ফলে আগামী কয়েক মাসে সরবরাহে বড় ধরনের সমস্যার আশঙ্কা নেই।

রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল) সূত্র অনুযায়ী, প্রতিটি এলএনজি কার্গোতে প্রায় ৩২ লাখ এমএমবিটিইউ গ্যাস থাকে। সে হিসাবে দুই মাসে নিশ্চিত হওয়া ১৯ কার্গোতে মোট প্রায় ৬ কোটি ৮ লাখ এমএমবিটিইউ এলএনজি আমদানি হবে।

সমুদ্রপথে দেশে আসার পর এলএনজি প্রথমে নির্ধারিত টার্মিনালে নেওয়া হয়। সেখানে পুনঃগ্যাসীকরণের মাধ্যমে তরল গ্যাসকে আবার গ্যাসে রূপান্তর করা হয়। পরে পাইপলাইনের মাধ্যমে সেই গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়।

জ্বালানি বিভাগের অনুমোদনের ভিত্তিতে এলএনজি আমদানি তদারকি করে পেট্রোবাংলা। আর কার্গো শিডিউলিং, চুক্তি সম্পাদন ও বাস্তবায়ন এবং টার্মিনাল পরিচালনার মতো কার্যক্রমে দায়িত্ব পালন করে আরপিজিসিএল।

দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় কাতারভিত্তিক কাতার এনার্জি এবং ওমানের জ্বালানি ও পণ্য বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান ওকিউ ট্রেডিং বাংলাদেশে এলএনজি সরবরাহ করে। প্রয়োজন অনুযায়ী ওকিউ ট্রেডিংয়ের স্বল্পমেয়াদি চুক্তি এবং স্পট মার্কেট থেকেও এলএনজি সংগ্রহ করা হয়।

Super Admin

PNN

প্লিজ লগইন পোস্টে মন্তব্য করুন!

আপনিও পছন্দ করতে পারেন