Tuesday, February 10, 2026

নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে আলোচনায় ঢাকা-১৫ প্রার্থী এ এস এম শাহরিয়ার কবির


ছবিঃ পান বিক্রেতাকে আইনজীবী এ এস এম শাহরিয়ার কবিরের টাকা দেওয়ার দৃশ্য (সংগৃহীত)

PNN নিউজ ডেস্ক। ঢাকা 

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও ঢাকা-১৫ আসনের প্রার্থী এ এস এম শাহরিয়ার কবিরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি রাজধানীর মিরপুর এলাকায় এক বয়োজ্যেষ্ঠ পান বিক্রেতার হাতে এক হাজার টাকার নোট তুলে দিচ্ছেন।

ভিডিওটি গত শনিবার ধারণ করা বলে জানা গেছে। সে সময় শাহরিয়ার কবিরের হাতে নির্বাচনী প্রচারপত্রও দেখা যায়। ঘটনাটি সামনে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এটি নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন কি না—সে প্রশ্ন উঠেছে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, পান বিক্রেতার সঙ্গে কথোপকথনের একপর্যায়ে দেশের পরিস্থিতি, সরকার এবং ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে আলোচনা করেন শাহরিয়ার কবির। আলাপচারিতার শেষ দিকে তিনি ওই ব্যক্তির হাতে এক হাজার টাকার নোট গুঁজে দিয়ে স্থান ত্যাগ করেন।

এ বিষয়ে বিতর্ক তৈরি হলে সোমবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি ব্যাখ্যামূলক পোস্ট দেন শাহরিয়ার কবির। পোস্টে তিনি বলেন, মিরপুর এলাকায় ব্যক্তিগতভাবে গণসংযোগের সময় পান ও সিগারেট বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন, সারা দিনে তার তেমন বিক্রি হয়নি। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকেই তিনি সবার সামনে ওই টাকা দিয়েছেন বলে দাবি করেন।

ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেন, একই স্থানে শিশুদের খেলাধুলার জন্য সামান্য অর্থ সহায়তাও করা হয়েছিল এবং তখন গণমাধ্যমকর্মীদের স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছিল—এটি যেন কোনোভাবেই রাজনৈতিকভাবে ব্যাখ্যা করা না হয়। তিনি অভিযোগ করেন, কিছু ব্যক্তি ও গণমাধ্যম ইচ্ছাকৃতভাবে মানবিক সহায়তাকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছে, যা তাকে মর্মাহত করেছে। তবে এ ঘটনায় কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।

এদিকে নির্বাচন কমিশনের আচরণবিধি অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী বা তাঁর পক্ষে কেউ নির্বাচনপূর্ব সময়ে ভোটারদের অর্থ, উপহার বা অনুদান প্রদান কিংবা তার প্রতিশ্রুতি দিতে পারবেন না—এমন বিধান রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে ঢাকা অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও ঢাকা-১৫ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ইউনুচ আলী বলেন, ভোটের উদ্দেশ্যে কাউকে অর্থ প্রদান করা সঠিক নয়। তিনি জানান, ভিডিওটি তিনি দেখেছেন। তবে বিষয়টি নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ বা বিচার করার এখতিয়ার সংশ্লিষ্ট ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি অ্যান্ড অ্যাডজুডিকেশন কমিটির।

Super Admin

PNN

প্লিজ লগইন পোস্টে মন্তব্য করুন!

আপনিও পছন্দ করতে পারেন