- ২৮ মার্চ, ২০২৬
PNN নিউজ ডেস্ক। ঢাকা
বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে অন্য কোনো রাজনৈতিক বা ঐতিহাসিক ঘটনার সঙ্গে এক কাতারে দেখা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ দেশের সবচেয়ে গৌরবময় অধ্যায়, যা অন্য কোনো সময় বা ঘটনার সঙ্গে তুলনীয় নয়।
শুক্রবার মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিভিন্ন সময়ের রাজনৈতিক আন্দোলন ও সংগ্রামের গুরুত্ব থাকলেও মুক্তিযুদ্ধের স্থান সবার ওপরে। তিনি উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক গণ–অভ্যুত্থানসহ অন্যান্য আন্দোলনের অবদান স্বীকার করলেও সবার আগে একাত্তরের চেতনা ও ইতিহাসকে সম্মান জানাতে হবে।
২০২৪ সালের গণ–অভ্যুত্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি ছিল একটি স্বৈরাচারবিরোধী জনআন্দোলন, যার মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন হয়েছে; তবে রাষ্ট্র নতুন করে সৃষ্টি হয়নি। তিনি জোর দিয়ে বলেন, স্বাধীনতার মাধ্যমে অর্জিত রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি চর্চা অব্যাহত রাখা জরুরি, যাতে ভবিষ্যতে কোনো স্বৈরাচার প্রতিষ্ঠিত হতে না পারে।
স্বাধীনতার ঘোষণার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে মেজর জিয়াউর রহমানের ভূমিকার বিষয়টি বিভিন্নভাবে উল্লেখ রয়েছে। এ বিষয়ে তিনি ঐতিহাসিক দলিল ও বিদেশি সূত্রের উদ্ধৃতি দেন।
সভায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সভাপতিত্ব করেন। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন তারেক রহমান। এছাড়া দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবীরা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষণ, গণতন্ত্রের বিকাশ এবং জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।