- ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬
স্টাফ রিপোর্ট: PNN
আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে দেশে চালু হতে যাচ্ছে ন্যাশনাল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর)–এর পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম। এর ফলে মোবাইল ফোনের বৈধতা যাচাই ও নেটওয়ার্কে সংযুক্তি আরও কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে। তবে বাজারে থাকা বিপুল পরিমাণ আনঅফিসিয়াল হ্যান্ডসেটের কারণে ব্যাহত হতে পারে স্বাভাবিক ব্যবসা—এই বাস্তবতা বিবেচনায় সরকার নতুন সময়সীমা ঘোষণা করতে যাচ্ছে।
বুধবার (১০ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে হ্যান্ডসেট উৎপাদক, বিটিআরসি এবং মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক শেষে মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশের সভাপতি মো. আসলাম জানিয়ে দেন, আনঅফিসিয়াল মোবাইল বিক্রি মার্চ মাস পর্যন্ত চালু থাকবে। এই সময়ের মধ্যে যে কেউ আনঅফিসিয়াল ফোন কিনলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেটি নিবন্ধিত হবে, ফলে ফোন নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার কোনো ঝুঁকি থাকবে না।
তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন—মার্চের পর আনঅফিসিয়াল মোবাইল বিক্রি পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হবে। এনইআইআর কার্যকর ও বাজারকে বৈধ পথে আনার স্বার্থেই এমন সিদ্ধান্ত।
মো. আসলাম জানান, বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সরকার এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে। এতে বিক্রেতা–গ্রাহক উভয়ই পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাবেন।
এনইআইআর বাস্তবায়ন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই ব্যবসায়ীদের আপত্তি রয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় কারওয়ান বাজারে সিস্টেম সংস্কারের দাবিতে মোবাইল ব্যবসায়ীরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন।
বৈঠকের পর মো. আসলাম বলেন, সকল পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে আন্দোলন প্রত্যাহারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সরকার ও ব্যবসায়ীদের যৌথ আলোচনার মাধ্যমে সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধান হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
দেশে অবৈধ হ্যান্ডসেট নিয়ন্ত্রণ ও গ্রাহক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এনইআইআরকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে সংশ্লিষ্টরা। নতুন সময়সীমা বাজার স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।