Saturday, August 8, 2026

ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে সাবেক উয়েফা কর্মকর্তার সঙ্গে সম্পর্ক ও সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ


ফাইল ছবিঃ ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো (সংগৃহীত)

স্টাফ রিপোর্ট: PNN 

বিশ্বকাপের আংশিক মালিকানা বিক্রির পরিকল্পনা নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ উঠেছে। উয়েফায় দায়িত্ব পালনের সময় এক নারী কর্মকর্তার সঙ্গে তার কথিত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল এবং ওই সম্পর্কের সুবাদে ওই নারী আর্থিক ও পেশাগত সুবিধা পেয়েছেন এমন দাবি করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ।

প্রতিবেদনটিতে অবশ্য সম্পর্ক বা সুবিধা দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে কোনো প্রমাণ উপস্থাপনের বিষয়টি স্পষ্ট নয়। ইনফান্তিনোর পক্ষ থেকে এসব অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করা হয়েছে।

ইনফান্তিনো ২০০০ সালে উয়েফায় যোগ দেন। পরবর্তী সময়ে ২০০৯ সালে সংস্থাটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব নেন। ২০১৬ সালে ফিফার সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার আগে ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থায় দীর্ঘ সময় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ২০০৯ সালে উয়েফার সাধারণ সম্পাদক থাকাকালে সংস্থাটির তুলনামূলক জুনিয়র পদে থাকা এক নারীর সঙ্গে ইনফান্তিনোর ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। ওই সম্পর্কের কারণে নারীটি বিশেষ সুবিধা পেয়েছিলেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই নারী উয়েফা থেকে চলে যাওয়ার পরও সংস্থাটির কাছ থেকে কয়েক হাজার পাউন্ড অর্থ পেয়েছিলেন। সেই অর্থ প্রদানের প্রক্রিয়ায় ইনফান্তিনোর ভূমিকা ছিল বলে দাবি করেছে সংবাদমাধ্যমটি।

এ ছাড়া ইনফান্তিনোর প্রভাব কাজে লাগিয়ে ওই নারীর পদোন্নতি হয়েছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। উয়েফা থেকে পাওয়া আর্থিক সহায়তা ব্যবহার করে তিনি এমবিএ কোর্স সম্পন্ন করেছিলেন বলেও প্রতিবেদনে দাবি করা হয়। এ বিষয়ে উয়েফার পক্ষ থেকে তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমটি।

তবে অভিযোগগুলোকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে ইনফান্তিনোর পক্ষ। দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফকে দেওয়া এক বক্তব্যে ফিফা সভাপতির মুখপাত্র বলেন, ইনফান্তিনো অভিযোগগুলো দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করছেন এবং তার বিরুদ্ধে অনুপযুক্ত আচরণ বা কোনো নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।

মুখপাত্র আরও বলেন, অতীতে উয়েফা বা ফিফার কোনো কর্মী ইনফান্তিনোর আচরণ নিয়ে অভিযোগ করেননি। তার বিরুদ্ধে অনৈতিক বা বিধিবহির্ভূত কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার দাবিও প্রত্যাখ্যান করেন তিনি।

এদিকে বিশ্বকাপের আংশিক মালিকানা বিক্রির পরিকল্পনা নিয়েও সাম্প্রতিক সময়ে সমালোচনার মুখে রয়েছেন ইনফান্তিনো। এর মধ্যেই উয়েফায় তার দায়িত্ব পালনের সময়কার ব্যক্তিগত সম্পর্ক এবং কথিত সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ সামনে আসায় ফিফা সভাপতিকে ঘিরে বিতর্ক আরও বাড়ল।

তবে নারী কর্মকর্তাটির সঙ্গে কথিত সম্পর্ক কিংবা তার পদোন্নতি ও আর্থিক সুবিধার ক্ষেত্রে ইনফান্তিনোর সরাসরি সম্পৃক্ততার অভিযোগের বিষয়ে কোনো স্বাধীন তদন্তের ফলাফল প্রকাশ্যে এসেছে কি না, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।

Super Admin

PNN

প্লিজ লগইন পোস্টে মন্তব্য করুন!

আপনিও পছন্দ করতে পারেন