- ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
PNN নিউজ ডেস্ক। ঢাকা
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ার বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) জনসংযোগ কর্মকর্তা ও উপপরিচালক আখতারুল ইসলামের দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) আসিফ মাহমুদের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম জনি ওই নোটিশ পাঠান। এনসিপির মিডিয়া সেল থেকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
গত ২ সেপ্টেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আখতারুল ইসলাম দাবি করেছিলেন, আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে বদলি, নিয়োগ ও পদোন্নতিতে অনিয়মের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। এরপর বিষয়টি বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসে।
তবে আসিফ মাহমুদের পক্ষে পাঠানো নোটিশে দুদক কর্মকর্তার বক্তব্যের সঙ্গে অভিযোগের তথ্যের অসঙ্গতি রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
নোটিশে বলা হয়, ৩৮ জন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিলের সঙ্গে আসিফ মাহমুদকে সম্পৃক্ত করার যে অভিযোগ করা হয়েছে, বাস্তবে সেখানে ১১২ জন কর্মকর্তার চলতি দায়িত্ব বাতিল করা হয়েছিল। প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালের আদেশ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ওই সিদ্ধান্ত কার্যকর করে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ছাড়া ১৫০ জন সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাকে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে পদোন্নতির বিষয়েও আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা ভিত্তিহীন বলে দাবি করা হয়েছে।
নোটিশে এ প্রসঙ্গে বলা হয়, আসিফ মাহমুদ ২০২৫ সালের ১০ ডিসেম্বর উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করেন। অথচ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পদোন্নতির ঘটনা ঘটে ২০২৬ সালের ১১ মে। অর্থাৎ, তার পদত্যাগের প্রায় পাঁচ মাস পর এবং বিএনপি সরকার গঠনের প্রায় তিন মাস পর ওই পদোন্নতি হয় বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।
আইনি নোটিশে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আখতারুল ইসলামকে গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহারের পাশাপাশি ভবিষ্যতে যথাযথ যাচাই ও প্রমাণ ছাড়া এ ধরনের বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।
নোটিশে আরও বলা হয়েছে, নির্ধারিত ১৫ দিনের মধ্যে বক্তব্য প্রত্যাহার ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে আখতারুল ইসলামের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৫০০ ধারাসহ প্রচলিত আইনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।