Thursday, May 14, 2026

চীন-যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষ বৈঠকে অগ্রগতি, তবে তাইওয়ান নিয়ে কঠোর সতর্কতা


ছবিঃ বাণিজ্য, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ একটি সফরের অংশ হিসেবে, ২০২৬ সালের ১৪ই মে চীনের বেইজিং-এর গ্রেট হল অফ দ্য পিপল-এর ​​অনুষ্ঠানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অংশগ্রহণ এবং গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর সাথে তার শুভেচ্ছা বিনিময়ের দৃশ্য... লাইসেন্সিং অধিকার ক্রয় করুন (সংগৃহীত)

আন্তর্জাতিক ডেস্ক। PNN 

চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান বাণিজ্য আলোচনা অগ্রগতি করছে বলে জানিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তবে তাইওয়ান ইস্যুতে মতবিরোধ সঠিকভাবে সামাল না দিলে দুই দেশের সম্পর্ক বিপজ্জনক মোড় নিতে পারে এবং সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত দুই দিনের শীর্ষ বৈঠকের শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনায় শি জিনপিং এ মন্তব্য করেন। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে জানানো হয়, দুই নেতার মধ্যে প্রায় দুই ঘণ্টার বেশি সময় ধরে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

চীনের দাবি করা স্বশাসিত দ্বীপ তাইওয়ান ইস্যুতে শি জিনপিং কঠোর অবস্থান তুলে ধরেন। তবে মার্কিন পক্ষের সারসংক্ষেপে এ বিষয়টির উল্লেখ না থাকলেও বাণিজ্য ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে অগ্রগতির কথা বলা হয়েছে।

বৈঠকে শি জিনপিং জানান, গত অক্টোবরের বাণিজ্য বিরতির পর থেকে দুই দেশের অর্থনৈতিক আলোচনায় “সামগ্রিকভাবে ইতিবাচক ও ভারসাম্যপূর্ণ অগ্রগতি” হয়েছে। ভবিষ্যতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে উভয় পক্ষ আলোচনা অব্যাহত রাখার বিষয়ে সম্মত হয়েছে বলেও জানান তিনি।

বৈঠকের সময় শি জিনপিং তাইওয়ানকে দুই দেশের সম্পর্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল ইস্যু হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এই বিষয়ে ভুল সিদ্ধান্ত নিলে পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে এবং তা সংঘাতের দিকে নিয়ে যেতে পারে।

বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, এটি “এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় সম্মেলনগুলোর একটি” হতে পারে। দুই নেতা পরবর্তীতে বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক স্থাপনা ও ব্যাংকোয়েটসহ বিভিন্ন আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে অংশ নেন।

আলোচনায় বাণিজ্য, কৃষি খাতে সহযোগিতা বাড়ানো, মধ্যপ্রাচ্য, ইউক্রেন এবং কোরীয় উপদ্বীপের পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় হয় বলে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি মার্কিন কোম্পানিগুলোর জন্য চীনের বাজারে প্রবেশাধিকার ও চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনীতি, মধ্যপ্রাচ্যের সংকট এবং তাইওয়ান ইস্যু সব মিলিয়ে এই বৈঠক দুই পরাশক্তির সম্পর্কের ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত বহন করছে।

Super Admin

PNN

প্লিজ লগইন পোস্টে মন্তব্য করুন!

আপনিও পছন্দ করতে পারেন