- ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
স্টাফ রিপোর্ট: PNN
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি এলিয়েন ও ইউএফও সংক্রান্ত গোপন ফাইল প্রকাশের ঘোষণা দেওয়ার পর বিশ্বজুড়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ২০১১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সাইন্স ফিকশন কমেডি সিনেমা ‘পল’ নতুনভাবে দর্শকদের দৃষ্টি কাড়ছে।
সিনেমায় দেখা যায় দুই ব্রিটিশ বন্ধু, গ্রায়েম ও ক্লাইভ, যাদের কমিক-বুক এবং বিজ্ঞান-প্রেমী স্বভাব রয়েছে। তারা ক্যালিফোর্নিয়ার সান ডিয়েগোতে ‘কমিক-কন’ উৎসব শেষে একটি মোটরহোম ভাড়া করে ইউএফও স্পট, বিশেষ করে নেভাডার রহস্যময় ‘এরিয়া ৫১’-এর আশপাশে ঘুরতে বের হয়।
তাদের রোমাঞ্চকর যাত্রা আরও মজাদার হয়ে ওঠে, যখন নির্জন হাইওয়েতে একটি গাড়ি থেকে বের হয় একটি এলিয়েন, পল। এই এলিয়েনের উচ্চতা চার ফুট, সবুজ রঙের, বিশাল চোখের এবং মানুষদের মতো অদ্ভুত রসবোধ সম্পন্ন। পল চেইন স্মোক করে, বিয়ার পান করে এবং হাফপ্যান্ট পরে ঘোরে। ৬০ বছর ধরে পল একটি গোপন সামরিক ঘাঁটিতে বন্দী থাকায় সে মানুষের সংস্কৃতি, বিশেষ করে পপ-কালচার চমৎকারভাবে আয়ত্ব করেছে।
পলের কণ্ঠে সেজেছে সেথ রজেন, যা চরিত্রটিকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছে। সিনেমায় পল গ্রায়েম ও ক্লাইভের সঙ্গে একধরনের ত্রিমুখী কমেডি রসায়ন সৃষ্টি করে। এফবিআইয়ের এক এজেন্ট জয়েল এবং ধর্মান্ধ বাবার মেয়ে রুথ এই যাত্রায় তাদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে গল্পে নতুন মাত্রা যোগ করে।
সিনেমায় রয়েছে অনন্য হাস্যরসের দৃশ্য, যেমন একটি মৃতপ্রায় পাখিকে পল বাঁচিয়ে রাখে, পরক্ষণেই তা খেয়ে ফেলে। এ ছাড়া বিভিন্ন জনপ্রিয় সিনেমা ও সিরিজের রেফারেন্স যেমন ‘স্টার ওয়ার্স’, ‘স্টার ট্রেক’, ‘ম্যান ইন ব্ল্যাক’ এবং ‘ক্লোজ এনকাউন্টারস অব দ্য থার্ড কাইন্ড’ সারা সিনেমায় ছড়িয়ে আছে।
‘পল’ নিছক কমেডি নয়; এটি সাই-ফাই প্রেমীদের জন্য একটি বিনোদনমূলক ট্রিবিউট। যারা হাসি-মজার সঙ্গে একটু ভিন্ন স্বাদের বিজ্ঞান কল্পকাহিনী উপভোগ করতে চান, তাদের জন্য এটি উপযুক্ত সিনেমা।