- ০৭ এপ্রিল, ২০২৬
PNN নিউজ ডেস্ক। ঢাকা
সংবিধানের অজুহাতে রাষ্ট্র সংস্কারের প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করা হলে রাজনীতিবিদদের ইতিহাস ক্ষমা করবে না বলে মন্তব্য করেছেন মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।
সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ–এর আমির এ মন্তব্য করেন। তাঁর পক্ষে বিবৃতিটি পাঠান দলের কেন্দ্রীয় প্রচার ও দাওয়াহ সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হবে। ওই আন্দোলনের মাধ্যমে রাষ্ট্র সংস্কারের একটি সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল, যেখানে ছাত্র-জনতা তাদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে স্বৈরশাসনের অবসান ঘটাতে চেয়েছিল।
তিনি অভিযোগ করেন, গণভোটের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থানে দ্বৈততা দেখা যাচ্ছে। তাঁর দাবি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল শুরুতে গণভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রচার চালালেও এখন সেটিকে বেআইনি বলে অভিহিত করছে, যা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে।
চরমোনাই পীর বলেন, জনগণ গণভোটে সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছে। সেই রায়ের প্রতি সম্মান দেখিয়ে দ্রুত সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা উচিত। অন্যথায়, সংবিধানের দোহাই দিয়ে এ প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করলে তা রাজনৈতিক নেতৃত্বের জন্য নেতিবাচক পরিণতি ডেকে আনতে পারে।
তিনি আরও বলেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, গুম প্রতিরোধ এবং দুর্নীতি দমন সংক্রান্ত অধ্যাদেশ সংসদে উপস্থাপন না করা এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা-সম্পর্কিত অধ্যাদেশ বাতিলের ঘটনায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বিবৃতিতে তিনি সতর্ক করে বলেন, অতীতে যে আইনি কাঠামো ব্যবহার করে স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তা যদি বহাল রাখা হয়, তাহলে জনগণ আবারও প্রতিক্রিয়া জানাতে বাধ্য হতে পারে।