- ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
PNN নিউজ ডেস্ক। রাজশাহী
রাজশাহীর বাগমারায় মাহাবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু উজ্জ্বল হোসেন ওরফে কাজলকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুদের টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে মাহাবুরকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন তিনি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সোমবার রাতের দিকে হাটগাঙ্গোপাড়া তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ঢাকের মোড় এলাকা থেকে কাজলকে আটক করে। গ্রেফতার ব্যক্তি নরদাশ ইউনিয়নের পানিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং আবুল কাশেমের ছেলে। তিনি একটি বেসরকারি এনজিও ‘আশারা সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতি’র নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে কাজল হত্যাকাণ্ডে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন। তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় তার মামা মোয়াজ্জেম হোসেনসহ আরও কয়েকজন জড়িত থাকতে পারে। বিষয়টি তদন্তের আওতায় নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মঙ্গলবার সকালে হাটগাঙ্গোপাড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ রবিউল ইসলাম গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে মাহাবুর রহমান নরদাশ ইউনিয়নের ঢাকের মোড় এলাকায় অবস্থিত একটি কার্যালয় থেকে নিখোঁজ হন। ওই সময় কার্যালয়ে সমিতির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
পরদিন শুক্রবার দুপুরে জুমার নামাজের পর হাট বাইগাছা–ভবানীগঞ্জ সড়কের রামপুর গ্রামের তিন মাথার মোড়সংলগ্ন একটি কলাবাগান থেকে মাহাবুর রহমানের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই জেকের আলী বাদী হয়ে বাগমারা থানায় অজ্ঞাত ৪ থেকে ৫ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
তদন্তের শুরুতে সন্দেহভাজন হিসেবে সমিতির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও তার সহযোগী, মাধনগর গ্রামের মাছচাষি লালুকে আটক করা হলেও জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের জন্য তদন্ত কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।