- ১১ মে, ২০২৬
PNN নিউজ ডেস্ক। ঢাকা
মিরপুর টেস্টের প্রথম দিনে ব্যাট হাতে দাপট দেখিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে দ্বিতীয় দিনে এসে সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি স্বাগতিকরা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় টাইগাররা। একপ্রান্তে দাঁড়িয়ে প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন অভিজ্ঞ ব্যাটার মুশফিকুর রহিম। শেষ দিকে তাসকিন আহমেদ–এর ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ভর করে প্রথম ইনিংসে ৪১৩ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ।
শনিবার সকালে ৪ উইকেটে ৩০১ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। ক্রিজে ছিলেন মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস। দিনের শুরুতে দুজনই আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিং করেন। ধীরস্থির ইনিংসে টেস্ট ক্যারিয়ারের ২৯তম অর্ধশতক পূর্ণ করেন মুশফিক।
তবে দলীয় ৩৩৮ রানে গিয়ে ভাঙে এই জুটি। ৬৭ বলে ৩৩ রান করে ফিরে যান লিটন। এরপর দ্রুতই সাজঘরে ফেরেন মেহেদী হাসান মিরাজ। মাত্র ১০ রান করতে সক্ষম হন তিনি।
উইকেট পতনের মাঝেও ধৈর্য ধরে ব্যাটিং চালিয়ে যান মুশফিক। তাইজুল ইসলাম–কে সঙ্গে নিয়ে কিছুটা এগিয়ে নেন দলকে। তবে লাঞ্চের আগেই ১৭ রান করে আউট হন তাইজুল।
মধ্যাহ্ন বিরতির পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি মুশফিকও। ১৭৯ বল মোকাবিলা করে ৭১ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস খেলে বিদায় নেন তিনি। তাঁর ইনিংসে ছিল কয়েকটি দৃষ্টিনন্দন বাউন্ডারি এবং চাপ সামলে খেলার ছাপ।
মুশফিকের বিদায়ের পর ব্যাটিং ধস আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। রানের খাতা খোলার আগেই আউট হন এবাদত হোসেন। তবে ইনিংসের শেষদিকে দ্রুত রান তুলে দলকে চারশ পেরিয়ে দেন তাসকিন। মাত্র ১৯ বলে ২৮ রানের কার্যকর ক্যামিও ইনিংস খেলেন এই পেসার।
শেষ পর্যন্ত ৪১৩ রানেই থামে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস। পাকিস্তানের হয়ে সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন মোহাম্মদ আব্বাস। তিনি ৫টি উইকেট শিকার করে বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপে বড় ধাক্কা দেন।
এর আগে প্রথম দিনে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত দুর্দান্ত সেঞ্চুরি তুলে নেন। ১৩০ বলে ১০১ রানের ইনিংসে ছিল ১২টি চার ও ২টি ছক্কা। আরেক ব্যাটার মুমিনুল হক ৯১ রান করে সেঞ্চুরি থেকে বঞ্চিত হন।