Monday, January 19, 2026

দেশের স্বার্থে অতীতের মত ভবিষ্যতেও বিএনপির সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার অঙ্গীকার জামায়াত আমিরের


ছবিঃ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সমবেদনা জানাতে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে বিএনপির চেয়ারপারসনের গুলশান কার্যালয়ে যান (সংগৃহীত)

PNN নিউজ ডেস্ক। ঢাকা 

দেশের বৃহত্তর স্বার্থে অতীতের মতো বিএনপির সঙ্গে সমন্বয় ও ঐক্যের ভিত্তিতে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ দলটির শীর্ষ নেতারাও একই ধরনের মনোভাব প্রকাশ করেছেন, যা ইতিবাচক রাজনৈতিক বার্তা বহন করে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সহমর্মিতা জানাতে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে যান জামায়াতের আমির। সেখানে তিনি তারেক রহমানসহ বিএনপির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং শোকবইয়ে স্বাক্ষর করেন।

সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডা. শফিকুর রহমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও একই দিনে অনুষ্ঠিতব্য জুলাই জাতীয় সনদের গণভোট প্রসঙ্গে বলেন, দেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় অতিক্রম করছে। নির্বাচন ও গণভোট যেন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হয় সেই প্রত্যাশাই সবার। এ বিষয়গুলো নিয়েই বিএনপি নেতাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, আগামী পাঁচ বছরের জন্য দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং একটি সুন্দর পরিবেশ ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে সব পক্ষকে একসঙ্গে বসে ভাবতে হবে। নির্বাচনের পর সরকার গঠনের আগেই খোলা মনে আলোচনায় বসে জাতির কল্যাণে সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন জামায়াতের আমির।

খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক অবদান স্মরণ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তিনি রাজনীতিতে যে ঐক্যের ভিত্তি রেখে গেছেন, তার ওপর দাঁড়িয়ে সব রাজনৈতিক শক্তির দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখা উচিত।

গুলশানে যাওয়ার উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, খালেদা জিয়া ছিলেন তিনবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী এবং একই সঙ্গে আপসহীন সংগ্রামী নেত্রী। গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে তিনি আজীবন সক্রিয় ছিলেন। তবে তাঁর জীবনের শেষ অধ্যায় ছিল অত্যন্ত কষ্টের, যা কারাবন্দিত্ব ও একাকিত্বে কেটেছে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

জামায়াতের আমির অভিযোগ করেন, গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দেওয়ার আবেদন উপেক্ষা করা হয়েছিল। বরং এ বিষয়ে তৎকালীন শাসকগোষ্ঠী অবমাননাকর আচরণ করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।

সাক্ষাৎকালে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, সালাহউদ্দিন আহমদ, এ জেড এম জাহিদ হোসেন এবং জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়েরসহ উভয় দলের একাধিক নেতা উপস্থিত ছিলেন।

Super Admin

PNN

প্লিজ লগইন পোস্টে মন্তব্য করুন!

আপনিও পছন্দ করতে পারেন