- ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬
PNN নিউজ ডেস্ক। ঢাকা
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ শুক্রবার বিকেল তিনটার কিছু আগে গুলশানের বাসভবন থেকে শেরে বাংলা নগরের জিয়া উদ্যানের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। সেখানে তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করবেন।
বিএনপির মিডিয়া সেলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দুপুর ২টা ৫৮ মিনিটে দেওয়া এক পোস্টে জানানো হয়, জুমার নামাজের পর তারেক রহমান বাবার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। এরপর তিনি সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন।
তারেক রহমানের বাসভবনের সামনে লাল-সবুজ রঙে সজ্জিত একটি বাস প্রস্তুত রাখা হয়। সেই বাসেই তিনি জিয়া উদ্যানে যাচ্ছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার বিমানবন্দর থেকে গণসংবর্ধনায়ও তিনি একই বাস ব্যবহার করেন। আজও বাসের সামনে দাঁড়িয়ে তিনি নেতা–কর্মীদের উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান। বিপুল সংখ্যক নেতা–কর্মী ও সমর্থকের উপস্থিতির কারণে তার গাড়িবহর ধীরগতিতে অগ্রসর হয়।
সকাল থেকেই জিয়া উদ্যান ও আশপাশের এলাকায় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা–কর্মীরা জড়ো হতে থাকেন। অনেকের হাতে দলীয় পতাকা, ব্যানার ও পোস্টার দেখা যায়। দীর্ঘ ১৭ বছর পর তারেক রহমানের দেশে ফেরা এবং বাবার কবর জিয়ারতকে ঘিরে নেতা–কর্মীদের মধ্যে আবেগ ও উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেছে।
নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে শেরে বাংলা নগর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। জিয়ার সমাধি ও আশপাশের সড়কে বসানো হয়েছে তল্লাশিচৌকি। একই সঙ্গে দলীয় স্বেচ্ছাসেবকরাও শৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করছেন। নিরাপত্তাজনিত কারণে নেতা–কর্মীদের নির্দিষ্ট স্থানে অবস্থান করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, ১৭ বছর পর গতকাল বৃহস্পতিবার তারেক রহমান দেশে ফেরেন। তিনি লন্ডন থেকে সিলেট হয়ে বাংলাদেশ বিমানের বিজি-২০২ ফ্লাইটে সকাল ১১টা ৪৩ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছান। সঙ্গে ছিলেন তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমান। বিমানবন্দর থেকে পূর্বাচলের সংবর্ধনাস্থল পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে নেতা–কর্মী ও সাধারণ মানুষের ব্যাপক উপস্থিতিতে পুরো পথ জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
বিএনপির নেতা–কর্মীদের মতে, বাবার কবর জিয়ারত শুধু একটি আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি নয়; এটি দলের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রতীকী মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।