Monday, March 30, 2026

আবারও ‘জিরো ওয়েটিং টাইম’ চট্টগ্রাম বন্দরে, গতি পেয়েছে আমদানি-রপ্তানি


ফাইল ছবিঃ চট্টগ্রাম বন্দর (সংগৃহীত)

স্টাফ রিপোর্ট: PNN

দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম বন্দর আবারও ‘জিরো ওয়েটিং টাইম’ অবস্থায় ফিরে এসেছে। ফলে বহির্নোঙরে জাহাজের অপেক্ষা এখন শূন্যে নেমে এসেছে, যা বন্দর কার্যক্রমে নতুন গতি সঞ্চার করেছে।

বন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জাহাজের টার্ন-অ্যারাউন্ড টাইম কমে যাওয়ায় আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আরও দ্রুত সম্পন্ন হচ্ছে। এতে ব্যবসায়ীদের খরচ কমার পাশাপাশি সরবরাহ ব্যবস্থায়ও ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সমন্বিত উদ্যোগ, নিয়মিত তদারকি এবং বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে কার্যকর সমন্বয়ের ফলেই এ সাফল্য অর্জন সম্ভব হয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের সক্ষমতা আরও দৃশ্যমান হচ্ছে।

এর আগে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে প্রথমবারের মতো ‘জিরো ওয়েটিং টাইম’ অর্জন করে চট্টগ্রাম বন্দর। পরবর্তী কয়েক মাসেও এ ধারা বজায় থাকলেও বছরের শুরুতে কিছু জটিলতার কারণে সাময়িকভাবে কার্যক্রমে ধীরগতি দেখা দেয়।

বিশেষ করে জানুয়ারির শেষ দিক ও ফেব্রুয়ারির শুরুতে কর্মবিরতি ও অন্যান্য সমস্যার কারণে জাহাজের অপেক্ষার সময় বেড়ে যায়। তবে দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দিয়ে পূর্ণ সক্ষমতায় কার্যক্রম চালু করায় আবারও অপেক্ষার সময় শূন্যে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের এক কর্মকর্তা জানান, ঈদের ছুটিতেও ২৪ ঘণ্টা কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছিল। অতিরিক্ত নজরদারি ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জাহাজের জট দ্রুত কমিয়ে আনা হয়েছে। ফলে জাহাজগুলো দ্রুত পণ্য ওঠানামা করে বন্দর ত্যাগ করতে পারছে।

এ অবস্থার ফলে শিপিং কোম্পানিগুলোর সময় ও ব্যয় উভয়ই কমছে। একই সঙ্গে আমদানিকারকেরা দ্রুত পণ্য হাতে পাচ্ছেন এবং রপ্তানিকারকেরাও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পণ্য পাঠাতে পারছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, লজিস্টিকস খরচ কমে যাওয়ায় বাজারে পণ্যের দামের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে, যা শেষ পর্যন্ত ভোক্তাদের জন্য স্বস্তির কারণ হতে পারে।

রমজান মাসকে সামনে রেখে সরবরাহব্যবস্থা সচল রাখতে বন্দর কর্তৃপক্ষ যে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে, তারই ফল হিসেবে এই সাফল্য এসেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Super Admin

PNN

প্লিজ লগইন পোস্টে মন্তব্য করুন!

আপনিও পছন্দ করতে পারেন