- ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬
স্টাফ রিপোর্ট: PNN
দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে দেশে ফিরেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার সকাল ৯টা ৫৬ মিনিটে যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে ফ্লাইটে সিলেতে পৌঁছান তিনি। সিলেতে সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতির পর বেলা ১১টা ৩৯ মিনিটে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমান।
স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে রাজধানীর পূর্বাচলের ৩০০ ফুট এলাকায় বিএনপি প্রধানতভাবে গণসংবর্ধনার আয়োজন করেছে। বিমানবন্দর থেকে সরাসরি ওই স্থান অভিমুখে রওনা হন তারেক রহমান। উপস্থিত ছিলেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি, গণসংহতি আন্দোলন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল, গণ অধিকার পরিষদ, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টি’র নেতৃবৃন্দ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক নুরুল আমিন ব্যাপারীর মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী (এ্যানী) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে অংশগ্রহণকারীদের মঞ্চে ডেকে নেন। সকাল থেকে পূর্বাচলের ৩০০ ফুট এলাকা, বনানী, কুড়িল বিশ্বরোড, খিলক্ষেত ও বিমানবন্দর সড়কে বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
বিমানবন্দর ও সংলগ্ন সড়কে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে। ভিআইপি ফটক থেকে প্রধান সড়ক পর্যন্ত পুলিশ, র্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেছেন। সাধারণ যাত্রীদের প্রবেশ সীমিত রাখা হয়েছে এবং সাংবাদিকদেরও নিরাপত্তাজনিত কারণে ভিআইপি ফটক থেকে দূরে অবস্থান করতে হয়েছে।
বিমানবন্দর অবতরণের পর রেড জোনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা তাকে অভ্যর্থনা জানান। অবতরণের কিছু সময় পর তারেক রহমান ফোনে দেশে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে কথা বলেন। বিএনপির মিডিয়া সেলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এই সংক্ষিপ্ত ফোনালাপের ভিডিও প্রকাশ করা হয়।
গণসংবর্ধনার পরে তারেক রহমান রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন এবং সেখানে চিকিৎসাধীন তাঁর মা, বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।