Tuesday, April 14, 2026

প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করবে যুক্তরাষ্ট্র–ইন্দোনেশিয়া


ছবিঃ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ (বাঁয়ে) ওয়াশিংটন ডিসিতে পেন্টাগনে ইন্দোনেশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী শাফরি শামসুদ্দিন (ডানে)-এর সফরের সময় বক্তব্য দিচ্ছেন। অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় সোমবার। (সংগৃহীত । আল জাজিরা । ইভলিন হকস্টেইন/রয়টার্স)

আন্তর্জাতিক ডেস্ক। PNN 

যুক্তরাষ্ট্র ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার করার লক্ষ্যে একটি নতুন অংশীদারিত্ব চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই উদ্যোগকে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।

সোমবার পেন্টাগনে ইন্দোনেশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী শাফরি শামসুদ্দিনের সঙ্গে বৈঠকের পর এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বৈঠকে উভয় দেশই সামরিক সহযোগিতা, প্রযুক্তি উন্নয়ন এবং কৌশলগত অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির বিষয়ে একমত হয়।

হেগসেথ বলেন, এই অংশীদারিত্ব যুক্তরাষ্ট্র ও ইন্দোনেশিয়ার সম্পর্কের “শক্তি ও সম্ভাবনা”কে প্রতিফলিত করে এবং এটি ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়তা করবে। তিনি আরও জানান, দুই দেশের সশস্ত্র বাহিনী প্রতি বছর ১৭০টিরও বেশি যৌথ সামরিক মহড়ায় অংশ নেয়, যা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও গভীর করেছে।

চুক্তি অনুযায়ী দুই দেশ সমুদ্র, উপ-সমুদ্র এবং স্বয়ংক্রিয় প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি উন্নয়ন, আধুনিক সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং যৌথ প্রস্তুতি জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেবে। ইন্দোনেশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, এই সহযোগিতা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দুই দেশের প্রতিরক্ষা সম্পর্ককে আরও টেকসই করবে।

এদিকে চুক্তি স্বাক্ষরের একদিন আগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে ইন্দোনেশিয়ার আকাশপথ ব্যবহারের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলছে বলে খবর প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন সামরিক বিমানগুলোর জন্য ইন্দোনেশিয়ার আকাশপথ ব্যবহারের বিষয়ে “ব্যাপক অনুমতি” চাওয়া হয়েছে।

তবে ইন্দোনেশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, বিষয়টি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তারা আরও জানায়, দেশের আকাশসীমার নিয়ন্ত্রণ সম্পূর্ণভাবে ইন্দোনেশিয়ার হাতেই থাকবে এবং যেকোনো চুক্তি জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে করা হবে।

ইন্দোনেশিয়ার পক্ষ থেকে বলা হয়, আলোচনায় থাকা নথিটি এখনো বাধ্যতামূলক নয় এবং এটি কেবল প্রাথমিক খসড়া পর্যায়ে রয়েছে।

চুক্তি ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যু নিয়ে এমন সময়ে অগ্রগতি হলো, যখন ইন্দোনেশিয়া বিভিন্ন আন্তর্জাতিক অংশীদারের সঙ্গে তার প্রতিরক্ষা কূটনীতি আরও বিস্তৃত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

Super Admin

PNN

প্লিজ লগইন পোস্টে মন্তব্য করুন!

আপনিও পছন্দ করতে পারেন