- ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
PNN নিউজ ডেস্ক। কক্সবাজার
সরকারের মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির মধ্যেই কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় পুলিশের এক সদস্যের বিরুদ্ধে ঘুষ নিয়ে এক সন্দেহভাজন অনলাইন জুয়ার এজেন্টকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত সোমবার (২৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার টইটং ইউনিয়নের গুদিকাটা কমিউনিটি ক্লিনিকের সামনে থেকে মো. কাইছার নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেন পেকুয়া থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. মোরশেদ আলম। পরে তার মোবাইল ফোনে অনলাইন জুয়ার বিভিন্ন অ্যাপস ও আর্থিক লেনদেনের তথ্য পাওয়ার দাবি করা হয়।
ভুক্তভোগী কাইছারের ভাষ্য, তাকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য প্রথমে ২০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। পরে দর কষাকষির একপর্যায়ে বিকাশের মাধ্যমে ১৬ হাজার টাকা নেওয়ার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তিনি জানান, তার মোবাইল থেকেই নির্দিষ্ট একটি এজেন্ট নম্বরে টাকা ‘ক্যাশআউট’ করা হয়।
ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে শুরুতে অভিযোগ অস্বীকার করেন এএসআই মোরশেদ আলম। তিনি বলেন, প্রযুক্তিগত বিষয়ে তিনি তেমন অভিজ্ঞ নন এবং সহকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে পরে জানাবেন। তবে কিছুক্ষণ পর হোয়াটসঅ্যাপ কলের মাধ্যমে ঘুষ নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খাইরুল আলমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। তারা দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভেতরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে এমন অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।