Friday, April 24, 2026

করমুক্ত আয়সীমা ৫ লাখ করার প্রস্তাব ডিসিসিআইর, প্রাক্-বাজেট বৈঠকে নানা সুপারিশ


প্রতীকী ছবিঃ আয়কর (সংগৃহীত)

PNN নিউজ ডেস্ক। ঢাকা 

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটকে সামনে রেখে ব্যক্তিখাতে করমুক্ত আয়সীমা ৫ লাখ টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। একই সঙ্গে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে কর কাঠামো সহজীকরণ ও স্বয়ংক্রিয়করণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে সংগঠনটি।

বুধবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এ অনুষ্ঠিত প্রাক্-বাজেট আলোচনায় এসব প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। ডিসিসিআইর পক্ষ থেকে আয়কর, ভ্যাট ও আমদানি শুল্কসংক্রান্ত মোট ৫৪টি প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়।

সংগঠনটির প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে—অ-তালিকাভুক্ত কোম্পানির করহার বর্তমান ২৭.৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৫ শতাংশ নির্ধারণ, বাণিজ্যিক আমদানিতে আগাম কর ৭.৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা এবং কাস্টমস রিফান্ড ব্যবস্থার পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন নিশ্চিত করা।

ডিসিসিআই নেতারা বলেন, করজাল সম্প্রসারণ, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি এবং ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় কমাতে এসব প্রস্তাব কার্যকর ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়াতে সহায়ক হবে বলেও তারা মনে করেন।

বৈঠকে আরও সুপারিশ করা হয়, সরকারি বিভিন্ন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তথ্য সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল সংযোগ ব্যবস্থা চালু করা, কোম্পানির আমানতের সুদের ওপর উৎসে কর কমানো এবং ধাপে ধাপে সারচার্জ প্রত্যাহার করা। এছাড়া ভ্যাট ব্যবস্থায় অটোমেশন বাড়ানো ও রিফান্ড প্রক্রিয়া সহজ করার ওপর জোর দেওয়া হয়।

এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান বলেন, আসন্ন বাজেটে শুল্কহার কমানোর চেয়ে অশুল্ক বাধা দূর করার দিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। এতে ব্যবসার খরচ কমবে এবং অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

তিনি আরও জানান, কর ফাঁকি রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং প্রকৃত করদাতাদের ওপর চাপ কমানোর চেষ্টা থাকবে। পাশাপাশি ভ্যাটের আওতা বাড়াতে সরকার কাজ করছে এবং ভবিষ্যতে কর রিটার্ন ও রিফান্ড প্রক্রিয়া পুরোপুরি অনলাইনে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ব্যবসায়ী মহলের মতে, এসব প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে কর ব্যবস্থা আরও আধুনিক ও কার্যকর হবে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

Super Admin

PNN

প্লিজ লগইন পোস্টে মন্তব্য করুন!

আপনিও পছন্দ করতে পারেন