- ২০ জুন, ২০২৬
PNN নিউজ ডেস্ক। খুলনা
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ নিরসনসহ বিভিন্ন দাবিতে খুলনায় বিভাগীয় সমাবেশ আয়োজন করেছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। শনিবার (২০ জুন) দুপুর ২টায় নগরীর সার্কিট হাউজ ময়দানে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সমাবেশকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ও জনসমাগমের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
সমাবেশস্থলে সকাল থেকেই মঞ্চ নির্মাণ ও মাঠ প্রস্তুতের কাজ সম্পন্ন করা হয়। বিভিন্ন জেলা থেকে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা ইতোমধ্যে খুলনায় আসতে শুরু করেছেন। আয়োজকদের দাবি, এই সমাবেশকে ঘিরে বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে ব্যাপক জনসমাগম ঘটবে।
সমাবেশের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত রয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সকালে তিনি খুলনায় পৌঁছান এবং সার্কিট হাউজে তাকে স্বাগত জানান জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতারা। ধীরে ধীরে ১১ দলীয় জোটের অন্যান্য শীর্ষ নেতারাও খুলনায় পৌঁছাচ্ছেন।
খুলনা মহানগর জামায়াতের আমির মাহফুজুর রহমান জানান, বিভাগের ১০টি জেলা থেকে কয়েক লাখ মানুষের অংশগ্রহণের আশা করা হচ্ছে। তার ভাষায়, সার্কিট হাউজ ময়দান ছাড়াও আশপাশের সড়কগুলো সমাবেশস্থলে পরিণত হবে। সমাবেশ নির্বিঘ্ন করতে পুরো এলাকায় প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০টি মাইক স্থাপন করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, বিভিন্ন জেলা থেকে আগত যানবাহন ও জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে আলাদা স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন করা হয়েছে। সমাবেশটি বিকেল ৫টার মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন ডা. শফিকুর রহমান। এছাড়া জোটের বিভিন্ন শীর্ষ নেতা বক্তব্য রাখবেন বলে জানা গেছে। বক্তাদের তালিকায় রয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ড. অলি আহমদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক, নায়েবে আমির সাখাওয়াত হোসাইন, খেলাফত আন্দোলনের আমির হাবীবুল্লাহ মিয়াজী, জাগপার সহসভাপতি রাশেদ প্রধান, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মুস্তাফিজুর রহমান ইরান, নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মুসা বিন ইজহার, ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম এবং এবি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জুসহ আরও অনেকে।
সমাবেশকে কেন্দ্র করে খুলনা শহরে রাজনৈতিক অঙ্গনে বাড়তি নজরদারি ও উৎসবমুখর পরিবেশ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।