- ১১ জানুয়ারি, ২০২৬
PNN আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারস্পরিকভাবে লাভজনক বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদার করার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করেছে। এর ফলে দেশের গুরুত্বপূর্ণ বস্ত্র ও পোশাক খাতের জন্য আরও বেশি বাজার প্রবেশাধিকার এবং নতুন সুযোগের দুয়ার খুলছে।
বর্তমানে ওয়াশিংটন ডিসি সফররত জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানের অনুরোধের পর যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ার সম্মত হয়েছেন—বাংলাদেশের বর্তমান ২০ শতাংশ পাল্টা শুল্কহার কমানোর সম্ভাবনা বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে উত্থাপন করতে, যাতে এটি আঞ্চলিক প্রতিযোগী দেশগুলোর শুল্কহারের সঙ্গে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়।
এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো—বাংলাদেশের রপ্তানি অগ্রাধিকারকে সহায়তা দিতে উভয় পক্ষ একটি উদ্ভাবনী ও ভবিষ্যতমুখী সমাধান নিয়ে একমত হয়েছে। ড. রহমান ও রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ারের মধ্যে গতকাল আলোচিত প্রস্তাবিত একটি অগ্রাধিকারমূলক ব্যবস্থার আওতায়, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ যে পরিমাণ যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদিত তুলা ও মানবসৃষ্ট ফাইবারভিত্তিক বস্ত্র উপকরণ আমদানি করবে, সেই পরিমাণ (বর্গমিটার ভিত্তিতে পরিমাপিত) টেক্সটাইল ও পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে।
এই সৃজনশীল ও ‘উইন–উইন’ উদ্যোগ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যকে শক্তিশালী করবে, বাংলাদেশের উৎপাদক ও শ্রমিকদের সহায়তা দেবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদকদের সঙ্গে সরবরাহ শৃঙ্খলের সম্পর্ক আরও গভীর করবে। এটি যুক্তরাষ্ট্র–বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্পর্কের ইতিবাচক গতি ও সদিচ্ছার প্রতিফলন এবং বাংলাদেশের বৈশ্বিক বাণিজ্য সম্ভাবনার জন্য একটি আশাব্যঞ্জক নতুন অধ্যায়ের সূচনা।