- ১১ এপ্রিল, ২০২৬
স্টাফ রিপোর্ট: PNN
মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির পর বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতিতে কিছুটা স্বস্তির আভাস মিলছে। এরই মধ্যে বাংলাদেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ধারাবাহিকভাবে এলএনজি ও এলপিজি বহনকারী জাহাজ দেশের জলসীমায় প্রবেশ করছে।
চট্টগ্রাম বন্দর ও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আগামী ১৫ এপ্রিলের মধ্যে অন্তত পাঁচটি জ্বালানিবাহী জাহাজ দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এসব জাহাজে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এবং তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আনা হচ্ছে।
শুক্রবার একটি এলপিজি জাহাজ মালয়েশিয়া থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। একই দিনে যুক্তরাষ্ট্র থেকে একটি বড় এলএনজি জাহাজ মহেশখালীর ভাসমান টার্মিনালে নোঙর করার সম্ভাবনা রয়েছে। পরবর্তী কয়েক দিনের মধ্যেই আরও কয়েকটি জাহাজ যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও মালয়েশিয়া থেকে আসবে বলে জানা গেছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জ্বালানিবাহী জাহাজগুলোর বার্থিং ও খালাস কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে, যাতে দ্রুত সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়।
এদিকে, চলতি মাসে মোট নয়টি এলএনজি জাহাজ দেশে আসার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে ইতোমধ্যে কয়েকটি জাহাজ এসে পৌঁছেছে এবং খালাস কার্যক্রম চলছে। প্রতিটি জাহাজে গড়ে ৬৯ থেকে ৭০ হাজার টন গ্যাস বহন করা হয়।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, গত মার্চ মাসে বিভিন্ন দেশ থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ এলএনজি আমদানি করা হয়েছে, যা বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্পখাতে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সহায়ক হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম ও সরবরাহ পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকলে দেশের জ্বালানি খাতে চাপ কিছুটা কমতে পারে। তবে বৈশ্বিক পরিস্থিতি আবার অস্থির হলে সরবরাহ ব্যবস্থায় নতুন করে চ্যালেঞ্জ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।