- ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬
স্টাফ রিপোর্ট: PNN
মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) আরেকটি মাইলফলক স্পর্শ করলেন লিওনেল মেসি। লিগের তিন দশকের ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে টানা দ্বিতীয়বারের মতো এমভিপি (মোস্ট ভ্যালুয়েবল প্লেয়ার) নির্বাচিত হলেন আর্জেন্টাইন সুপারস্টার। ২০২৫ মৌসুমে এমএলএস কাপের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হওয়ার পর এটি তাঁর এ মৌসুমের দ্বিতীয় বড় স্বীকৃতি।
রোববার চেজ স্টেডিয়ামে স্থানীয় ভ্যাঙ্কুভার হোয়াইটক্যাপসকে ৩–১ ব্যবধানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো এমএলএস কাপ জিতে নেয় ইন্টার মায়ামি। ফাইনালে দলের তিন গোলের মধ্যে দুটি গোলে সরাসরি অবদান ছিল মেসির, দুটিই তাঁর নিখুঁত অ্যাসিস্ট।
নিয়মিত মৌসুমে সাপোর্টার্স শিল্ড জিততে না পারলেও পরের ধাপগুলোতে অসাধারণ পারফরম্যান্সে দলকে শিরোপা এনে দেন মেসি। পুরো মৌসুমজুড়েই ছিলেন ছন্দে ২৮ ম্যাচে করেন ২৯ গোল এবং ১৯টি অ্যাসিস্ট। গেল মৌসুমের তুলনায় এটি আরও উন্নত পারফরম্যান্স; ২০২৪ সালে তিনি করেছিলেন ২০ গোল ও ১৬ অ্যাসিস্ট।
প্লে-অফেও বজায় থাকে তাঁর উজ্জ্বল ফর্ম। ছয় ম্যাচে ছয় গোল ও নয়টি অ্যাসিস্ট করে আবারও নেতৃত্ব দেন দলকে। ফাইনালে তাঁর জোড়া অ্যাসিস্টেই বদলে যায় ম্যাচের গতি। টানা নয় ম্যাচে অন্তত তিনটি করে গোল–অবদান রাখার মাধ্যমে লিগে তিনি নতুন রেকর্ডের জন্ম দেন। একই সঙ্গে এক মৌসুমে ১০ ম্যাচে একাধিক গোল করার কৃতিত্বও ছিল এই মৌসুমের আরেক বিশেষ অর্জন।
লিগের ইতিহাসে প্রথম ফুটবলার হিসেবে দুই মৌসুমে (২০২৪ ও ২০২৫) অন্তত ৩৬টি গোল–অবদান রাখার নজিরও স্থাপন করেছেন ‘এলএম ১০’।
১৯৯৬ সাল থেকে দেওয়া ল্যান্ডন ডোনোভান এমএলএস এমভিপি পুরস্কার সাধারণত খেলোয়াড়, ক্লাবের টেকনিক্যাল বিভাগ এবং গণমাধ্যমের যৌথ ভোটে নির্বাচিত হয়। এ বছর এই তিন উৎস থেকে ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন মেসি। তাঁর সর্বমোট গড় ভোট ছিল ৭০.৪৩ শতাংশ যেখানে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সান ডিয়েগো এফসির আন্দ্রেস ড্রেয়ার পান মাত্র ১১.১৫ শতাংশ ভোট।
গণমাধ্যমের ভোটে মেসি পেয়েছেন ৮৩.০৫ শতাংশ, খেলোয়াড়দের ভোটে ৫৫.১৭ শতাংশ এবং ক্লাব ভোটে ৭৩.০৮ শতাংশ।
এর মাধ্যমে মেসি এমএলএস–এ দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে দুবার এমভিপি জিতলেন। এর আগে প্রেকি ১৯৯৭ ও ২০০৩ সালে দুবার এই সম্মান পেয়েছিলেন। তবে টানা দুবার জয়ের কীর্তি একমাত্র মেসির।