- ১৪ অক্টোবর, ২০২৬
PNN নিউজ ডেস্ক। ঢাকা
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেওয়ার অভিযোগে সারজিস আলমকে বহিষ্কার এবং হাসনাত আবদুল্লাহকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছিলেন নাহিদ ইসলাম এমন দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খান।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি করেন। একই পোস্টে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
পোস্টে রাশেদ খান দাবি করেন, ১৯ জুলাই আওয়ামী লীগ সরকারের কয়েকজন মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন সারজিস ও হাসনাত। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ওই দিনই গণঅভ্যুত্থানে সবচেয়ে বেশি মানুষ শহীদ হন। একই সময়ে আব্দুল কাদের ঘোষিত ৯ দফা দাবি বাধাগ্রস্ত করতে আট দফা কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
হাসনাত আবদুল্লাহর ভূমিকা নিয়ে রাশেদ খান আরও দাবি করেন, ওই দিন তিনি হাসিব আল ইসলামকে ফোন করে মেস থেকে নিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে যোগ দিতে যান। আরও কয়েকজনকে বৈঠকে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তবে তাঁর দাবি অনুযায়ী, তাঁদের কেউ কেউ শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করতে চাননি বলে বৈঠকে অংশ নেননি।
ফেসবুক পোস্টে সারজিস আলম ও হাসনাত আবদুল্লাহকে নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেন রাশেদ খান। তাঁর অভিযোগ, গণঅভ্যুত্থানের সময় তাঁদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে এবং তাঁরা ৯ দফা দাবি বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করেছিলেন।
রাশেদ খান আরও দাবি করেন, ওই ঘটনার পর নাহিদ ইসলাম সারজিস আলমকে বহিষ্কার এবং হাসনাত আবদুল্লাহকে শোকজ নোটিশ দিয়েছিলেন। এ বিষয়ে নেত্র নিউজে তথ্য রয়েছে বলেও তিনি তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন।
তবে রাশেদ খানের এসব বক্তব্য ও অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা এই প্রতিবেদন তৈরির সময় যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে সারজিস আলম, হাসনাত আবদুল্লাহ কিংবা নাহিদ ইসলামের বক্তব্যও প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।