- ১৪ অক্টোবর, ২০২৬
PNN নিউজ ডেস্ক। ঢাকা
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এ ঘটনার জন্য আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের দায়ী করেন। তাঁর অভিযোগ, ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুসারীদের একটি অংশ জেএফকে বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে হেনস্তার চেষ্টা করেছে।
বিবৃতিতে রিজভী বলেন, ড. ইউনূসের সঙ্গে এ ধরনের আচরণকে তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করেন। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেওয়ার কারণেই তাঁকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
রিজভী আরও বলেন, ড. ইউনূস শুধু বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টাই নন, তিনি নোবেলজয়ী ও আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত ব্যক্তিত্ব। তাঁর সঙ্গে বিদেশের মাটিতে অসৌজন্যমূলক আচরণ করা হয়ে থাকলে তা বাংলাদেশের ভাবমূর্তির ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
বিবৃতিতে বিএনপির এই নেতা আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে গুম, খুন ও গুপ্তহত্যার অভিযোগ তুলে ধরে বলেন, ক্ষমতাচ্যুত সরকারের সমর্থকদের একাংশের আচরণে রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। তাঁর দাবি, দেশে ও দেশের বাইরে বিভিন্ন স্থানে তাঁদের কর্মকাণ্ড অব্যাহত রয়েছে।
রিজভী অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনার প্রতিহিংসার রাজনীতি এখনো বন্ধ হয়নি। তাঁর ভাষ্য, দেশে-বিদেশে দলীয় কর্মীদের উসকানি দেওয়া এবং বিভিন্ন ধরনের সহিংস কর্মকাণ্ডে মদদ দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে জনমনে উদ্বেগ রয়েছে।
জেএফকে বিমানবন্দরে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে কথিত অসৌজন্যমূলক আচরণের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে রিজভী বলেন, এ ধরনের ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
তবে বিমানবন্দরে ঠিক কী ঘটেছিল, এ ঘটনায় কারা জড়িত ছিলেন এবং অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অন্য পক্ষের বক্তব্য কী তা এই প্রতিবেদন তৈরির সময় স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।