- ১২ অক্টোবর, ২০২৬
PNN নিউজ ডেস্ক। ঢাকা
গাজীপুরের শ্রীপুরে পারিবারিক কলহের জেরে সীমা রানী দাস (২৫) নামে এক অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে। হত্যাকাণ্ডের পর অভিযুক্ত স্বামী নিজেই জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে বিষয়টি জানান। পরে ঘটনাস্থল থেকে তাঁকে আটক করে পুলিশ।
রোববার (১১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শ্রীপুর উপজেলার রাজাবাড়ী ইউনিয়নের চিনাশুকানিয়া গ্রামের বড়চালা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত উদ্ভব দাস একই গ্রামের নকুল দাসের ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দা মেজবাহ উদ্দিন জানান, রাতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি জানাজানি হয়। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সীমা রানীকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যার পর উদ্ভব নিজেই পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই গৃহবধূর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে। তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল।
শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, স্ত্রীকে হত্যার পর অভিযুক্ত স্বামী নিজেই ৯৯৯-এ ফোন করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং উদ্ভব দাসকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
ওসি আরও জানান, নিহত নারীর শরীর, মাথা ও গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত জানতে আইনগত কার্যক্রম চলবে।