Thursday, October 15, 2026

উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের ১৩৫ দফা হামলা, বিপর্যস্ত জ্বালানি ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো


ছবিঃ ফুজাইরাহ তেল অঞ্চলে জ্বালানি ট্যাঙ্কগুলো ছিল প্রথম ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোর অন্যতম। এটি একটি তেল শোধনাগার ও তেল বন্দর, যা সংযুক্ত আরব আমিরাত হরমুজ প্রণালীতে ইরানের অবরোধ এড়াতে ব্যবহার করত। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরানের অস্ত্রশস্ত্র ফুজাইরাহতে অন্তত ১৯ বার আঘাত হেনেছে; মার্চের শুরুর দিকে চালানো প্রথম দফা হামলায় সেখানে টানা তিন দিন আগুন জ্বলছিল (সংগৃহীত)

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | PNN

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধের মধ্যে উপসাগরীয় দেশগুলোর গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে ধারাবাহিক হামলা চালিয়েছে ইরান ও দেশটির মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো। তেল রপ্তানি টার্মিনাল, গ্যাস প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র, বিমানবন্দর, বিদ্যুৎ ও পানি শোধনাগার থেকে শুরু করে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট স্থাপনাও এসব হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। এতে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি বিপুল অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়েছে অঞ্চলটি।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), ইরাক, কাতার, কুয়েত, ওমান ও বাহরাইনের অন্তত ৮৪টি অবকাঠামো স্থাপনায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের অন্তত ১৩৫টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। এসব হামলার অনেকগুলোতেই স্থাপনাগুলোর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতিকে লক্ষ্য করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।

রয়টার্সের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত অনেক স্থাপনার প্রকৃত অবস্থা ও ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সরকারি বক্তব্যে পুরোপুরি প্রকাশ করা হয়নি। অন্তত ৩৪টি সরকারি বিবৃতিতে হামলার পর ক্ষয়ক্ষতির জন্য আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থায় ভূপাতিত ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোনের ধ্বংসাবশেষকে দায়ী করা হয়েছে। তবে স্যাটেলাইট চিত্র, ভিডিও, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাক্ষাৎকার ও বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে রয়টার্স জানিয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতিতে সরাসরি আঘাতের বহু প্রমাণ পাওয়া গেছে।

উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের হামলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য ছিল সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা বন্দর। হরমুজ প্রণালির বাইরে অবস্থিত এই বন্দর দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিমাণ অপরিশোধিত তেল ও পরিশোধিত জ্বালানি রপ্তানি করা হয়। হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে বিকল্প পথে তেল সরবরাহের ক্ষেত্রেও বন্দরটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

রয়টার্সের হিসাব অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর ফুজাইরা বন্দরে অন্তত ১৯ বার হামলা হয়েছে। মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত একাধিক হামলায় তেলের ট্যাংক, পাইপলাইন স্থানান্তরব্যবস্থা এবং জাহাজে তেল সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

বিশেষ করে বন্দরের তেল স্থানান্তরের দুটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা বা ‘ম্যাট্রিক্স ম্যানিফোল্ড’-এ আঘাতের কারণে কার্যক্রম ব্যাহত হয়। এসব ব্যবস্থার মাধ্যমে তেল সংরক্ষণ টার্মিনাল থেকে জাহাজে তেল নেওয়া হয়। রয়টার্সের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, মে মাসের ৪ তারিখের হামলার পর ফুজাইরা থেকে পরিশোধিত জ্বালানি রপ্তানি প্রায় এক মাসের জন্য কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। এ খাতের রপ্তানি স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরতে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় লাগে।

হামলার প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারেও। যুদ্ধের প্রথম কয়েক মাসে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১২০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছে যায় বা তা অতিক্রম করে। ফেব্রুয়ারিতে দাম ছিল প্রায় ৭০ ডলার।

বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) উৎপাদনকেন্দ্র কাতারের রাস লাফান স্থাপনাও হামলার শিকার হয়েছে। সেখানে গ্যাসকে অত্যন্ত কম তাপমাত্রায় তরলে রূপান্তর করার কাজে ব্যবহৃত দুটি গুরুত্বপূর্ণ ‘কোল্ড বক্স’ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব যন্ত্রপাতি পুনর্নির্মাণ ও মেরামতে কয়েক বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। কাতারএনার্জির প্রধান নির্বাহী সাদ আল-কাবি মার্চে রয়টার্সকে জানিয়েছিলেন, ক্ষতিগ্রস্ত কোল্ড বক্স দুটি পুরোপুরি মেরামত করতে তিন থেকে পাঁচ বছর লাগতে পারে।

বিশ্বের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কাতারের উৎপাদন অবকাঠামোয় এমন ক্ষতি আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের জন্যও উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্তত চারটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা পুরোপুরি পুনরুদ্ধার করতে এক বছর বা তার বেশি সময় লাগতে পারে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের বারাকাহ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিদ্যুৎ সরবরাহ-সংশ্লিষ্ট একটি ভবনও হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গত ১৭ মে সংঘটিত ওই হামলার পর কেন্দ্রটির চারটি চুল্লির একটিকে জরুরি ডিজেল জেনারেটরের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা নিতে হয় বলে রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি বলেন, হামলাটি থেকে বোঝা যায়, স্থাপনাটি সম্পর্কে হামলাকারীদের বিস্তারিত তথ্য জানা ছিল।

তবে কেন্দ্রটির পরিচালনাকারী এমিরেটস নিউক্লিয়ার এনার্জি করপোরেশন জানিয়েছে, নিরাপত্তাব্যবস্থা ও নির্ধারিত কার্যপ্রণালি যথাযথভাবে কাজ করেছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি, তেজস্ক্রিয় পদার্থ নির্গত হয়নি এবং বিকিরণের মাত্রা স্বাভাবিক সীমার মধ্যেই ছিল। জনস্বাস্থ্য বা পরিবেশের জন্য কোনো ঝুঁকি তৈরি হয়নি বলেও জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

কুয়েতের বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ অবকাঠামোও হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। মরুভূমিপ্রধান দেশটির পানীয় জলের প্রায় ৯০ শতাংশ আসে সমুদ্রের পানি লবণমুক্ত করার স্থাপনাগুলোর মাধ্যমে। এসব স্থাপনার অনেকগুলোই বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত।

রয়টার্সের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, গত ২ মার্চ থেকে ২০ জুলাইয়ের মধ্যে কুয়েতের আটটি যৌথ বিদ্যুৎ ও পানি শোধনাগারের অন্তত চারটিতে হামলা হয়েছে। কয়েকটি স্থাপনায় একাধিকবার আঘাত হানার তথ্যও পাওয়া গেছে।

ইউনিভার্সিটি অব ইউটার মিডল ইস্ট সেন্টারের পরিচালক মাইকেল ক্রিস্টোফার লো সতর্ক করে বলেছেন, কুয়েতের মতো দেশে পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক পানিসম্পদ না থাকায় পানি শোধনাগারগুলোর সক্ষমতা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলে কয়েক দিন বা কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ভয়াবহ সংকট দেখা দিতে পারে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে কুয়েত সরকার নাগরিকদের বিদ্যুৎ ও পানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

উপসাগরীয় অঞ্চলের বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী দেশ সৌদি আরবের তেল শোধনাগার, প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র ও পাইপলাইনও হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রয়টার্সের অনুসন্ধান অনুযায়ী, দেশটির নয়টি বৃহৎ তেল শোধনাগারের মধ্যে পাঁচটিতে এবং তিনটি বড় তেল প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্রে হামলার প্রভাব পড়েছে।

গত ১০ সেপ্টেম্বর সৌদি আরবের পূর্ব-পশ্চিম তেল পাইপলাইনের তিনটি পাম্পিং স্টেশনে হামলা হয়। এতে একটি স্টেশন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ইয়ানবু বন্দরের দিকে অপরিশোধিত তেল পরিবহন ১১ দিনের জন্য বন্ধ হয়ে যায়।

হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে লোহিত সাগর দিয়ে তেল রপ্তানির ক্ষেত্রে এই পাইপলাইন সৌদি আরবের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে সেখানে হামলার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের সরবরাহ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দেয়।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, যুদ্ধের প্রথম ছয় মাসের বেশির ভাগ সময় সৌদি আরবের দৈনিক তেল উৎপাদন ৭০ লাখ ব্যারেলের নিচে নেমে আসে। যুদ্ধের আগে উৎপাদন ছিল দৈনিক এক কোটি ব্যারেলের বেশি। বর্তমান দামে হিসাব করলে উৎপাদন কমে যাওয়ার কারণে দেশটির সম্ভাব্য আয়হানি ৫০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি।

জ্বালানি স্থাপনার বাইরেও উপসাগরীয় দেশগুলোর বিমানবন্দর, তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামো ও ভারী শিল্পকারখানায় হামলা হয়েছে। কুয়েতের বিমানবন্দরে আটবার হামলার তথ্য পেয়েছে রয়টার্স। সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিমানবন্দরগুলোও একাধিকবার আক্রান্ত হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১০ অক্টোবরের হামলায় অন্তত ১৩ জন নিহত হন। ইয়েমেনের ইরানসমর্থিত হুতিরা ওই হামলার দায় স্বীকার করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনে অ্যামাজনের তথ্যকেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বাহরাইনে ক্ষতিগ্রস্ত যন্ত্রপাতি মেরামত করা সম্ভব না হওয়ায় সংশ্লিষ্ট সেবার একটি অংশ ছয় মাস পরও বন্ধ ছিল বলে রয়টার্স জানিয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের এমিরেটস গ্লোবাল অ্যালুমিনিয়ামের আল তাওয়িলা কারখানায় হামলায় বিদ্যুৎকেন্দ্র ও অ্যালুমিনিয়াম উৎপাদনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কারখানাটির ১ হাজার ২৬২টি গলনকোষের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। আগস্টের শেষ নাগাদ সেগুলোর মাত্র এক-চতুর্থাংশ পুনরায় চালু করা সম্ভব হয়েছিল। পূর্ণ উৎপাদনে ফিরতে ২০২৭ সাল পর্যন্ত সময় লাগতে পারে বলে প্রতিষ্ঠানটির তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

রয়টার্সের অনুসন্ধানে বলা হয়েছে, হামলার পর ক্ষয়ক্ষতির ছবি ও ভিডিও প্রকাশের ক্ষেত্রে উপসাগরীয় কয়েকটি দেশে কঠোর বিধিনিষেধ রয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার, কুয়েত ও সৌদি আরবে হামলার পর নির্দিষ্ট ধরনের ছবি বা ভিডিও ধারণ এবং প্রচার আইনত নিষিদ্ধ। গুজব ও ভুল তথ্য ছড়ানোর বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনও এ ধরনের প্রতিবেদন নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার করা হয় বলে সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে বাহরাইন সরকার বলেছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা, তদন্তের সুরক্ষা এবং ভবিষ্যৎ হামলার পরিকল্পনায় এসব তথ্যের অপব্যবহার ঠেকাতেই বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স বলেছেন, ইরান প্রতিবেশী দেশগুলোকে লক্ষ্য করে নির্বিচারে হামলা চালিয়েছে এবং এতে বহু বেসামরিক মানুষের জীবন ঝুঁকির মুখে পড়েছে। অন্যদিকে, ইরানের জাতিসংঘ মিশন রয়টার্সের বিস্তারিত প্রশ্নের জবাব দেয়নি।

আবুধাবির রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি এডিএনওসির প্রধান নির্বাহী ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের শিল্প ও উন্নত প্রযুক্তিমন্ত্রী সুলতান আল জাবেরের ভাষ্য, হামলাগুলোর লক্ষ্য কেবল অবকাঠামো ধ্বংস করা নয়; এসব স্থাপনার ওপর নির্ভরশীল মানুষের জীবনযাত্রাকেও বিপর্যস্ত করা।

সব মিলিয়ে রয়টার্সের অনুসন্ধান বলছে, উপসাগরীয় অঞ্চলে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোয় ধারাবাহিক হামলা শুধু সামরিক সংঘাতের ক্ষয়ক্ষতিতে সীমাবদ্ধ নেই। জ্বালানি সরবরাহ, পানীয় জল, বিদ্যুৎ, বিমান চলাচল ও শিল্প উৎপাদনে এর প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। আর হরমুজ প্রণালিতে অস্থিরতার সঙ্গে এসব হামলা যুক্ত হওয়ায় বিশ্ব অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের ওপর চাপ আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

Super Admin

PNN

প্লিজ লগইন পোস্টে মন্তব্য করুন!

আপনিও পছন্দ করতে পারেন